Saturday, December 11, 2021

ভারতে ৩ বছরের শিশুর অমিক্রন শনাক্ত


 ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যে আজ শুক্রবার তিন বছরের এক শিশুর শরীরে করোনার অমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে ৩২ জনের অমিক্রন শনাক্ত হলো। খবর এনডিটিভির

আজ বিকেল পর্যন্ত ভারতে ২৫ জনের শরীরে অমিক্রন শনাক্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব লাভ আগরওয়াল। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শূন্য দশমিক ০৪ জনের কম মানুষ অমিক্রনে সংক্রমিত হয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে সন্ধ্যার দিকে নতুন করে আরও সাতজনের অমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানায় মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার। তাঁদের মধ্যে ছিল তিন বছর বয়সী শিশুটি।

লাভ আগরওয়াল বলেন, ভারতে চলতি মাসে ৯৩ জন বিদেশ থেকে আসা যাত্রীর শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮৩ জন অমিক্রনের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো থেকে এসেছেন।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা আরও জানান, গত ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত দুটি দেশে অমিক্রন শনাক্ত হয়। তবে এখন পর্যন্ত ৫৯টি দেশে ধরনটি ছড়িয়ে পড়েছে। দেশগুলোতে ২ হাজার ৯৩৬ জন অমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছেন। পাশাপাশি আরও ৭৮ হাজার ৫৪ জন ধরনটিতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁদের শরীর থেকে নমুনা নিয়ে জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে।

ভারতে কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনে কমবেশি ১০ হাজার জন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এ মহামারি শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৭০ হাজার জন ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়েছেন। আর এতে মারা গেছেন ৪ লাখ ৭৪ হাজার জন।

এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার শিশুদের মধ্যেও অমিক্রনের সংক্রমণ বৃদ্ধির খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আল-জাজিরা ও বার্তা সংস্থা এএফপি। দক্ষিণ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিজেসের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী মিচেল গ্রুম সম্প্রতি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় অমিক্রন সংক্রমণ নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে। এই সংক্রমণ কম বয়সীদের কাছ থেকে বয়স্কদের মধ্যে ছড়াচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, অমিক্রনে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ বছরের কম বয়সের শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। আর ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুদের হাসপাতালে ভর্তির হার বেশি। বয়সভিত্তিক বিবেচনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় অমিক্রনে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ৬০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিরা। দ্বিতীয় অবস্থানে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুরা।


শেয়ার করুন

Author:

Etiam at libero iaculis, mollis justo non, blandit augue. Vestibulum sit amet sodales est, a lacinia ex. Suspendisse vel enim sagittis, volutpat sem eget, condimentum sem.

0 coment rios: